Hit enter after type your search item

A Complete Guide for BD Job Preparation

উপমহাদেশে ইসলামের আগমন। দিল্লি সালতানাত। Best Note for Job Preparation till 2023

/
/
586 Views

আলোচ্য বিষয় সমূহ- বিসিএস, পিএসসির বিভিন্ন পরীক্ষা এবং ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্নের আলোকে উপমহাদেশে ইসলামের আবির্ভাব, দিল্লি সালতানাতের পাঁচটি বংশ দাশ, খলজি, তুঘলক, সৈয়দ ও লোদী বংশের পূর্ণাঙ্গ ও গুরুত্বপূর্ণ নোট।

উপমহাদেশে ইসলামের আবির্ভাব

মুসলমানদের বিজয়াভিযান শুরু হয় উমাইয়া খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিকের রাজত্বকালে । তাঁর সেনাপতি মুসা বিন নুসায়ের সমগ্র উত্তর আফ্রিকা ও সেনাপতি তারিক স্পেন জয় করেন, অপরদিকে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ (ইরাক) সমূহের আরব শাসনকর্তা নিযুক্ত হন হাজ্জাজ বিন ইউসুফ। হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর জামাতা মুহম্মদ বিন কাসিমকে সিন্ধু রাজা দাহিরের বিরুদ্ধে অভিযানে প্রেরণ করেন যা ছিল ভারতে প্রথম মুসলিম অভিযান। মুহম্মদ বিন কাসিম সর্বপ্রথম সিন্ধুর দেবল শহর অবরোধ করেন, অতঃপর তিনি সিন্ধু নদী পার হয়ে রাওযারে রাজা দাহিরকে আক্রমণ করেন।

রাজা দাহিরের সমসাময়িক কালে সিন্ধু অঞ্চলে উচ্চ বর্ণের হিন্দুদের দ্বারা নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা অত্যাচারিত হতো তাই তারা যুদ্ধে মুহম্মদ বিন কাসিমের সাহায্যে এগিয়ে এসেছিল। এই যুদ্ধে দাহির শোচনীয়ভাবে পরাজিত এবং নিহত হয়। মুহম্মদ বিন কাসিমের এই সিন্ধু বিজয়ের ফলে উপমাহাদেশে ইসালামের আবির্ভাবের সূচনা হয়। কিন্ত মুহম্মদ বিন কাসিমের অকালমৃত্যুর কারণে সেসময়ে উপমহাদেশে ইসলাম একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের প্রায় ৩০০ বছর পর গজনীর সুলতান মাহমুদ  (সুলতান মাহমুদ  ছিলেন গজনীর অধিপতি সুবক্তগীনের পুত্র) ১০০০ থেকে ১০২৭ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে উপমহাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে ১৭ বার অভিযান পরিচালনা করেন। সুলতান মাহমুদের অভিযানসমূহের মধ্যে সোমনাথ মন্দির বিজয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

সোমনাথ মন্দির ভারতের গুজরাটে অবস্থিত একটি প্রাচীন দেবমন্দির, ১২০৬ সালে সুলতান মাহমুদ সোমনাথ মন্দির আক্রমণ করেন।

ভারতে মুসলমান শাসনের সূচনা

গজনীতে ঘুর সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হলে শিহাবউদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরি উপমাহাদেশে তাঁর সাম্রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন। 

ময়েজউদ্দিন মুহাম্মদ বিন সাম ইতিহাসে শিহাবউদ্দিন মুহাম্মদ ঘুরি নামে পরিচিত।

তরাইনের প্রথম যুদ্ধে ১১৯১ খ্রিষ্টাব্দে  মুহাম্মদ ঘুরি শোচনীয়ভাবে পৃথ্বীরাজ চৌহানের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত ও আহত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন কিন্ত তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে ১১৯২ খ্রিষ্টাব্দে  মুহাম্মদ ঘুরি পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাজিত ও হত্যা করে ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে ঘুরী সৈন্যের নেতৃত্বে ছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবেক। পরবর্তিতে মুহাম্মদ ঘুরি তাঁর সুযোগ্য সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবেককে ভারতে তার প্রতিনিধি নিযুক্ত করে গজনী প্রত্যাবর্তন করেন। তুর্কিস্তানের অধিবাসী, কুতুবউদ্দিন আইবেক ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে ভারতের প্রথম সুলতান  হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং ভারতে দিল্লি সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন। 

দিল্লি সালতানাত বিভিন্ন বংশের শাসনকালের সময় চিত্র

দিল্লি সালতানাত

দাস বংশ (১২০৬১২৯০ খ্রিঃ)

দিল্লি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আইবেক প্রথম জীবনে মুহাম্মদ ঘুরির একজন ক্রীতদাস হিসাবে জীবন শুরু করেন। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই  কুতুবউদ্দিন আইবেক তার চারিত্রিক গুনে মুহাম্মদ ঘুরির প্রিয় পাত্র হয়ে ওঠেন। মুহাম্মদ ঘুরি তাকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দেন এবং নিজের সহচর হিসেবে নিযুক্ত করেন। 

কুতুবউদ্দিন আইবেক ১২০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মাত্র চার বছর ভারত শাসন করেন। তিনি উত্তর ভারতে রাজ্যবিস্তার করে দিল্লিতে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। তিনি ছিলেন উপমহাদেশে স্থায়ী মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা। দানশীলতার জন্য তাঁকে ‘লাখ বখস’ বলা হত। তাঁর অনুমতিতেই ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী বাংলায় অভিযান পরিচালনা করে লক্ষণ সেনকে পরাজিত করেন। ১২১০ সালের পোলো খেলার সময় ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

কুতুবউদ্দিন আইবেকের মৃত্যুর পর দিল্লির সিংহাসনে বসেন তার জামাতা শামসুদ্দিন ইলতুৎমিস। ইলতুৎমিসও প্রথম জীবনে কুতুবউদ্দিন আইবেক এর মত দাস ছিলেন।

সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ (১২১১-১২৩৬ খ্রি.) কে দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। ভারতে মুসলমান শাসকদের মধ্যে তিনিই প্রথম মুদ্রা প্রচলন করেন। ইলতুৎমিশ ১২২৯ খ্রি. বাগদাদের খলিফা আল মুনতাসির বিল্লাহ কর্তৃক ‘সুলতান -ই-আজম’ উপাধিতে ভূষিত হন। সুলতান ইলতুৎমিশ চল্লিশজন তুর্কি ক্রীতদাস  নিয়ে একটি দল গঠন করেন যা ইতিহাসে ‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ বা চল্লিশ চক্র নামে পরিচিত। সুলতান ইলতুৎমিস  তার কূটনৈতিক সফলতার মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশ কে সম্ভাব্য মঙ্গলদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করেন। 

কুতুব মিনারঃ কুতুবউদ্দিন আইবেক ভারতের দিল্লিতে কুতুব মিনার এর নির্মাণ কাজ শুরু করলেও শেষ করতে পারেননি, এর নির্মান কাজ পরবর্তীতে সমাপ্ত করেন তাঁর জামাতা সুলতান ইলতুৎমিশ এবং এর নামকরণ করা হয় দিল্লির বিখ্যাত সাধক কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকির নামানুসারে।

সুলতান রাজিয়া (১২৩৬-১২৪৬ খ্রি.) ছিলেন ইলতুৎমিশের কন্যা। তিনি ছিলেন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম মুসলমান নারী। ১২৪০ সালের সুলতান রাজিয়া, তার স্বামী ইফতিয়ার উদ্দিন আল্তুনিয়া সহ আততায়ীর হাতে নিহত হন। 

রাজিয়ার মৃত্যুর পর দিল্লির সিংহাসনে বসেন কনিষ্ঠ  পুত্র নাসির উদ্দিন মাহমুদ (১২৪৬-১২৬৬ খ্রিঃ)। তিনি ধর্মভীরু এবং সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের জন্য ফকির বাদশাহ নামে পরিচিতি  লাভ করেন এবং কুরআন নকল ও টুপি সিলাই করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

নাসির উদ্দিন মাহমুদ ছিলেন নিসন্তান তাই তার মৃত্যুর আগে ১২৬৬ সালে তিনি তার শশুর গিয়াস উদ্দিন বলবনকে সিংহাসনের এর উত্তরসূরী নিয়োগ করেন। বলবনের প্রকৃত নাম ছিল বাহাউদ্দিন প্রাথমিক জীবনে তিনিও একজন দাস ছিলেন। তিনি ইলতুৎমিশের ব‘বন্দেগান-ই-চেহেলগান’ বা চল্লিশ চক্রের সদস্য ছিলেন। সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন (১২৬৬-১২৮৭ খ্রি.) কে ‘মহান শাসক’ বলা হয়। বিচ্ছিন্নতাবাদ নির্মূল ও শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুলতান অত্যন্ত কঠোর ও নির্দয় নীতি গ্রহণ করেন। তাঁর এ নীতি রক্তপাত ও কঠোর নীতি নামে খ্যাত। সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মোঙ্গলদের আক্রমণ প্রতিহত করেন এবং মঙ্গলদের পরাজিত করে লাহোর থেকে বিতারিত করেন। তিনি বিদ্যোৎসাহী ও গুণীজনের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ‘ভারতের তোতা পাখি’ (বুলবুলে হিন্দ) নামে পরিচিত আমীর খসরু বলেবনের দরবারের সদস্য ছিলেন। মহান শাসক সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন ১২৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

দাস বংশের সর্বশেষ সুলতান ছিলেন শামসুদ্দিন কাইমুরস (১২৮৯-১২৯০ খ্রি.)। দিল্লিতে দাস বংশের আসন শেষে খলজি বংশের শাসন শুরু হয়।

খলজি বংশ (১২৯০১৩২০ খ্রিঃ)

দিল্লি সালতানাতে খলজি বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান জালাল উদ্দিন ফিরোজ খলজি। ১২৯৬ খ্রিস্টাব্দে তার ভ্রাতুষ্পুত্র এবং জামাতা  আলাউদ্দিন খলজি তাকে হত্যা করে নিজেকে দিল্লির সুলতান হিসেবে ঘোষণা করে। 

আলাউদ্দিন খলজি (১২৯৬-১৩১৬ খ্রি.) দিল্লি সালতানাতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক সুলতান। সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবনের মতো তিনিও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি প্রথম মুসলমান শাসক হিসাবে দাক্ষিনাত্য জয় করেন। দাক্ষিণাত্য অভিযানে নেতৃত্ব দেন সুলতানের সেনাপতি মালিক কাফুর। সুলতান জনগণের সার্বিক কল্যাণের জন্য দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের উপর হস্তক্ষেপ করেন এবং প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য নির্দিষ্ট হারে বেধে দেন। পর্যটক ইবনে বতুতা তাকে দিল্লীর শ্রেষ্ঠ সুলতান বলেছেন। বিখ্যাত আলাই দরওয়াজা তাঁর বিখ্যাত কীর্তি। তাঁর আমলেই ভারতে দাস প্রথার সৃষ্টি হয়। মঙ্গোলীয় আক্রমণ প্রতিহত করতে তিনি বিশাল সেনাবাহিনী গঠন করেন। 

ফ্রান্সের সম্রাট চর্তুদশ লুই এর ন্যায় তিনিও ঘোষণা করেন, “আমিই রাষ্ট্র”।

১৩১৬ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন খলজির মৃত্যুর পর তার সেনাপতি মালিক  কাফুর সুলতানের পাঁচ বছর বয়স্ক শিশু পুত্র শিহাব উদ্দিন ওমরকে দিল্লির মসনদে বসান এবং সুলতানের বিধবা স্ত্রীকে জোরপূর্বক বিবাহ করে  শাসনকার্য চালাতে থাকেন।  মালিক কাফুরের স্বৈরাচারী শাসন অত্যাচারের সকল সীমা অতিক্রম করলে অভিজাত শ্রেণীর সহায়তায় সুলতানের দেহরক্ষীরা ৩৬ দিন পর তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। 

এরপর সুলতান আলাউদ্দিন খলজির তৃতীয় পুত্র মোবারক শাহ কুতুব উদ্দিন মোবারক শাহ উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে বসেন কিন্তু তিনি ভোগ বিলাসিতায় গা ভাসিয়ে রাজ্যের শাসনভার দক্ষিণাত্যের শাসনকর্তা খসরু খান এর উপর নাস্ত করেন এবং আলাউদ্দিন খলজির সকল কঠোর নীতি শিথিল করে উদারনীতি অবলম্বন করেন  এবং খলিফা উপাধি ধারণ করেন। এমতাবস্থায়  রাজ্যে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে খসরু খান মোবারক  শাহকে  হত্যা করে নাসির উদ্দিন উপাধি ধারণ করে  দিল্লির সিংহাসনে বসেন। 

খসরু খানের দুঃশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে দিল্লির অভিজাত আমির উমরাগণ পাঞ্জাবের শাসক গাজী মালিক কে দিল্লির সিংহাসন দখলের জন্য আহ্বান জানান। ১৩২০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির উপকণ্ঠে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে খসরু খানকে হত্যা করে গাজী মালিক গিয়াস উদ্দিন তুঘলক উপাধি ধারণ করে দিল্লি সিংহাসনে  বসেন। ফলে দিল্লি সালাতানাতে তুঘলক বংশের শাসন শুরু হয়।

তুঘলক বংশ (১৩২৫১৪১৩ খ্রিঃ)

১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে তোরণ ধ্বংসের কারণে সুলতান গিয়াস উদ্দিন তুঘলক মৃত্যুবরণ করলে তার বড় পুত্র জুনা খান মোহাম্মদ বিন তুঘলক নাম ধারণ করে দিল্লির সুলতান হিসেবে সিংহাসনে আরোহন করেন।

প্রথম জীবনে জুলা খান একজন সাধারন সৈনিক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তুঘলক বংশ প্রতিষ্ঠায় জুনা খান তার পিতা গিয়াস উদ্দিন তুঘলককে সহায়তা করেন এবং সুলতান গিয়াস উদ্দিন তুঘলক পুত্র জুনা খানকে উলুঘ খান উপাধি প্রদান করে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।

মুহম্মদ বিন তুঘলক (১৩২৫-১৩৫১ খ্রি.) রাজ্য শাসনের প্রত্যক্ষ অসুবিধা দূর করার জন্য কেন্দ্রীয় রাজধানী দিল্লি থেকে দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন। 

তিনি সোনা ও রুপার মুদ্রার পরিবর্তে প্রতীক তামার মুদ্রা প্রচলন করে মুদ্রামান নির্ধারণ করে দেন। কিন্তু মুদ্রা ব্যাপকভাবে জাল হতে থাকায় তিনি পরবর্তিতে এ পরিকল্পনা ত্যাগ করেন। 

মুহম্মদ বিন তুগলক কৃষির উন্নয়নের জন্য ‘দিওয়ান-ই-কোহী’ নামে স্বতন্ত্র কৃষি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। এ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা ছিলেন ‘আমির-ই-কোহী’।

সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেখানে উচ্চ বংশ শাসক বংশ এবং নিম্ন বংশ সবার জন্য সমান বিচার ছিল।

ইবনে বতুতার আগমনঃ ১৩৩৩ খ্রিষ্টাব্দে মুহম্মদ বিন তুঘলকের রাজত্বকালে পরিব্রাজক ইবনে বতুতা ভারত বর্ষে আগমন করেন। পরবর্তীতে সুলতানের সাথে পরিচয় ঘটলে তিনি ইবনে বতুতাকে কাজীর পদে নিযুক্ত করেন। ইবনে বতুতা কৃতিত্বের সাথে উক্ত পদে ৮ বছর বহাল ছিলেন।

সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক সিন্ধুর তাঘির বিদ্রোহ দমনরত অবস্থায় ১৩৫১ খ্রিস্টাব্দে আকস্মাত মৃত্যুবরণ করলে সুলতানের বাহিনীর মধ্যে চরম অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে পরিস্থিতি বিবেচনায় আমির ও অভিজাতবর্গের অনুরোধে সুলতানের ভাতুষ্পুত্র ফিরোজ ফিরোজ শাহ তুঘলক উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহন করেন। 

ঐতিহাসিক বারানী ফিরোজ শাহ তুঘলককে উপমহাদেশের প্রথম প্রকৃত মুসলিম শাসক হিসেবে বর্ণনা করেন। ফিরোজ শাহ তুঘলক ছিলেন একজন উদার ও জনকল্যাণমূলক শাসক। তিনি রাজ্য বিজয় অপেক্ষা রাজ্য ভালো ভাবে শাসন করায় বিশ্বাসী ছিলেন।  তবে ঐতিহাসিকদের মতে মধ্যযুগের ইতিহাসে তার শাসনামলেই ভারতীয় উপমহাদেশ সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল। ১৩৮৮ খ্রিস্টাব্দে ফিরোজ শাহ তুঘলক মৃত্যুবরণ করেন। 

১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দে মধ্য এশিয়ার সমরকন্দের অধিপতি তুর্কি বীর তৈমুর লঙ (তার পিতার নাম আমির তুরঘাই) ভারত আক্রমণ করে তিনি বিনা বাধায় দিল্লীতে প্রবেশ করেন, প্রায় তিনমাস ধরে অবাধ হত্যা ও লুন্ঠনের পর তিনি বিপুল সম্পদ নিয়ে স্বদেশে ফিরে যান।তৈমুর লং সমরখন্দে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে খিজির খান কে  সমরকন্দের অধীনে ভারতের পশ্চিম অঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন।

সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদ ছিলেন তুঘলক বংশের শেষ সুলতান। তিনি ১৩৯৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪১৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লির সুলতান ছিলেন। ১৪১৩ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদ এর পতনের পর প্রায় ২০০ বছরের তুর্কি শাসনের অবসান ঘটে। 

পরবর্তীতে দিল্লির আমির, উমরা ও অভিজাত শ্রেণি দৌলতখান নামক জনৈক ব্যক্তিকে দিল্লি শাসনকর্তা নিযুক্ত করলে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের শাসনকর্তা খিজির খান দিল্লি আক্রমণ করেন এবং দৌলতখান আত্মসমর্পণ করলে খিজির খান সুলতান হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন ফলে দিল্লির সিংহাসনে সৈয়দ বংশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

 সৈয়দ বংশ (১৪১৪১৪৫১খ্রিঃ)

১৪১৪ খ্রিস্টাব্দে খিজির খান সৈয়দ বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৪২১ খ্রিস্টাব্দে খিজির খান মৃত্যুবরণ করলে তার পুত্র মুবারক শাহ দিল্লির সিংহাসনে বসেন। মুবারক শাহের শ্রেষ্ঠ কীর্তি বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ তারিখমুবারক শাহী। তিনি যমুনা নদীর তীরবর্তী স্থানে মোবারকবাদ নামে একটি শহর নির্মাণ করেন। 

মুবারক শাহ ১৪৩৪ খ্রিস্টাব্দে নামাজরত অবস্থায় আততায়ীর হাতে নির্মমভাবে নিহত হন। তার নিজের কোন পুত্র সন্তান না থাকায় তার ভ্রাতুষ্পুত্র মুহম্মদ শাহ পরবর্তীতে দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন। মুহম্মদ শাহ ছিলেন দুর্বল শাসক ফলে তার দুর্বলতার সুযোগে অভিজাত শ্রেণি ও প্রাদেশিক শাসনকর্তা গন তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং দিল্লি অধিকারের চেষ্টা করেন। সুলতান তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দেন।  

১৪৪৫ খ্রিস্টাব্দে সুলতান মুহম্মদ শাহ মৃত্যুবরণ করলে তার পুত্র আলাউদ্দিন আলম শাহ দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন। কিন্তু তিনি ছিলেন সৈয়দ বংশের সর্বাপেক্ষা দুর্বল ও অকর্মন্য সুলতান।  তার শাসনামলে সুলতান অপেক্ষা তাঁর প্রধানমন্ত্রী হামিদ খান ছিলেন সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী এতে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব দেখা দিলে সুলতান আলাউদ্দিন আলম শাহ বাধ্য হয়ে পাঞ্জাবের শাসক বাহালুল খান লোদীর সহায়তা কামনা করেন। বাহুলুল খান লোদীর সহায়তায় সুলতান হামিদ খান কে পরাজিত নিহত করলেও পরবর্তীতে বাহুলুল খান লোদী নিজেই দিল্লি দখল করে নেন এবং দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করে লোদী বংশের গোড়াপত্তন করেন।

লোদী বংশ (১৪৫১১৫২৬ খ্রিঃ)

বাহলুল খান লোদী ১৪৫১ খ্রিস্টাব্দে লোদী বংশের গোরাপত্তন করেন, তিনি ১৪৮৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লি শাসন করেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র সুলতান সিকান্দার লোদী এই বংশের দ্বিতীয় শাসক হিসেবে ১৪৮৯ থেকে ১৫১৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দিল্লি শাসন করেন। 

১৫১৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান সিকান্দার লোদীর মৃত্যু হলে তাঁর জেষ্ঠ্য পুত্র ইব্রাহীম লোদী (১৫১৭-১৫২৬ খ্রি.) দিল্লির সিংহাসনে বসেন। ইব্রাহীম লোদী ছিলেন দিল্লীর সর্বশেষ সুলতান।

১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের প্রথমযুদ্ধে কাবুলের অধিপতি বাবর ইব্রাহীম লোদীকে পরাজিত করলে দিল্লি সালতানাতের পতন হয় এবং মুঘল বংশের শাসন শুরু হয়। 

বিসিএস পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১) দিল্লি থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে? (১১তম বিসিএস, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক)

(ক) সম্রাট আকবর (খ) মুহম্মদ বিন তুঘলক (গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর (ঘ) সুলতান ইলিয়াস শাহ

উত্তরঃ (খ) মুহম্মদ বিন তুঘলক

 পিএসসির বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১) প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন? (সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা)

(ক) ফকরউদ্দিন মুবারক শাহ (খ) ইলিয়াস শাহ (গ) মুহাম্মদ ঘুরী (ঘ) মুহম্মদ বিন কাসিম

উত্তরঃ (ঘ) মুহম্মদ বিন কাসিম

২) ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম মুসলি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন- (দুর্নীতি দমন ব্যুরোর সহকারী পরিদর্শক)

(ক) মুহম্মদ বিন কাসিম (খ) সুলতান মাহমুদ (গ) মুহম্মদ ঘুরী (ঘ) সিয়াস উদ্দিন আজম শাহ

উত্তরঃ (গ) মুহম্মদ ঘুরী

৩) দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম মুলমান নারী রাজিয়া কার কন্যা ছিলেন? (বাংলাদেশে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড-এর সহকারী পরিচালক)

(ক) কুতুবউদ্দিন আইবেগ (খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ  (গ) গিয়াসউদ্দিন বলবন (ঘ) মুহম্মদ বিন তুঘলক

উত্তরঃ (খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ

৪) তৈমুর লঙ ভারত আক্রমণ করেন- (প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক)

(ক) ১৬৯৮ সালে (খ) ১৫৯৮ সালে (গ) ১৩৯৮ সালে (ঘ) ১২৯৮ সালে

উত্তরঃ (গ) ১৩৯৮ সালে

৫) সিন্ধু বিজয়ের মাধ্যমে কে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করেন? (প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক)

(ক) হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ (খ) মুহম্মদ-বিন-কাসিম (গ) মুহম্মদ ঘুরী (ঘ) ইখতিয়ারউদ্দিন-মুহম্মদ-বিন বখতিয়ার খলজি

উত্তরঃ (খ) মুহম্মদ বিন কাসিম

৬) সুলতান মাহমুদ কত বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন? (প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক)

(ক) ১৫ বার (খ) ১৭ বার (গ) ১৮ বার (ঘ) ২০ বার

উত্তরঃ (খ) ১৭ বার

৭) মুহম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বীরাজ চৌহানের মধ্যে দ্বিতীয় তরাইনের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়? (১০ম বিজেএস/রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) ১৯৯০ (খ) ১১৯২ (গ) ১২০৬ (ঘ) ৭১২

উত্তরঃ (খ) ১১৯২

৮) ভারতে প্রথম মুদ্রা প্রবর্তন করেন-(প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক)

(ক) লর্ড কর্নওয়ালিস (খ) শেরশাহ (গ) মুহম্মদ বিন তুগলক (ঘ) ইলতুৎমিশ

উত্তরঃ (ঘ) ইলতুৎমিশ

৯) সুইচ্চ কুতুব মিনারটির নির্মাণ কাজ কার শাসনামলে শেষ হয়? (মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক)

(ক) মুহাম্মদ ঘুরী (খ) সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ (গ) বলবন (ঘ) সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেগ

উত্তরঃ (খ) সুলতান শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ

১০) বুলবুল -ই-হিন্দ কাকে বলা হয়? (সংসদ সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক)

(ক) তানসেনকে (খ) আমীর খসরুকে (গ) আবুল ফজলকে (ঘ) গালিবকে

উত্তরঃ (খ) আমীর খসরুকে

) কোন মুসলমান প্রশাসক প্রথম দক্ষিণ ভারত জয় করেন? (শ্রম অধিদপ্তরের অফিসার)

(ক) আলাউদ্দিন খলজি (খ) শের শাহ (গ) আকবর (ঘ) আওরঙ্গজেব

উত্তরঃ (ক) আলাউদ্দিন খলজি

১২) ভারতে প্রথম প্রতীক মুদ্রা প্রবর্তন করেন-(স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র স্টাফ নার্স)

(ক) শেরশাহ (খ) মুহম্মদ বিন তুগলক (গ) ইলতুৎমিশ (ঘ) লর্ড কর্নওয়ালিস

উত্তরঃ (খ) মুহম্মদ বিন তুগলক

১৩) কোন খ্রিষ্টাব্দে দিল্লির সুলতানি শাসনের অবসান হয়? ( প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক)

(ক) ১৫২৬ (খ) ১৫২৪ (গ) ১৫২৭ (ঘ) ১৫২৩

উত্তরঃ (ক) ১৫২৬

১৪) ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন? (প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক)

(ক) রানা প্রতাহ সিংহ (খ) ইব্রাহিম লোদী (গ) শিবাজি (ঘ) বৈরাম খাঁ

উত্তরঃ (খ) ইব্রাহিম লোদী

১৪) পানিপথ অবস্থিত-(সাব-রেজিস্ট্রার)

(ক) মুলতানের অদূরে (খ) পেশোয়ারের অদূরে (গ) দিল্লির অদূরে (ঘ) কাবুলের অদূরে

উত্তরঃ (গ) দিল্লির অদূরে

 ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১) ভারতে প্রথম মুসলিম অভিযান পরিচালনা করেন-(জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) হাজ্জাজ বিন ইউসুফ (খ) মুহম্মদ বিন কাসিম (গ) মুহম্মদ ঘুরী (ঘ) বখতিয়ার খলজি

উত্তরঃ খ) মুহম্মদ বিন কাসিম

২) তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে কে পরাজিত হন? (বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) মুহম্মদ ঘুরী (খ) লক্ষণ সেন (গ) পৃথ্বীরাজ (ঘ) জয়চন্দ্র

উত্তরঃ গ) পৃথ্বীরাজ

৩) কোন শাসক ভারতে মুসলিম শাসন স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করেন? (চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) মুহম্মদ বিন কাসিম (খ) মাহমুদ গজনী (গ) মুহম্মদ ঘুরী  (ঘ) কুতুবউদ্দিন আইবেগ

উত্তরঃ ঘ) কুতুব উদ্দিন আইবেগ

৪) দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা- (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) কুতুবউদ্দিন আইবেক (খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ (গ) গিয়াসউদ্দিন বলবন (ঘ) আলিউদ্দিন খলজি

উত্তরঃ খ) শামস উদ্দিন ইলতুৎমিশ

৫) কুতুব মিনার কোথায় অবস্থিত? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রভাষক নিবন্ধন)

(ক) চীন (খ) ভারত (গ) বাংলাদেশ (ঘ) আরাম শাহ

উত্তরঃ খ) ভারত

৬) মুহম্মদ বিন কাসিম সর্বপ্রথম সিন্ধুর কোন শহরে উপস্থিত হন? ( জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) মুলতান  (খ) রাওয়ার (গ) দেবল (ঘ) অমৃতসর

উত্তরঃ (গ) দেবল

৭) আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধু দেশের রাজা ছিলেন-(রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) মানসিংহ (খ) জয়পাল (গ) দাহির (ঘ) দাউদ

উত্তরঃ (গ) দাহির

৮) সোমনাথ মন্দির ভারতের কোন অংশে অবস্থিত? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) রাজপুতনা (খ) মধ্য প্রদেশ (গ) গুজরাট (ঘ) মহারাষ্ট্র

উত্তরঃ (গ) গুজরাট

৯) সুলতান-ই-আজম উপাধি কে লাভ করেছিল? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) কুতুবউদ্দি আইবেক (খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ (গ) ফিরোজ শাহ তুগলক (ঘ) আলাউদ্দিন খলজি

উত্তরঃ (খ) শামসউদ্দিন ইলতুৎমিশ

১০) বন্দেগান-ই-চেহেল গান কে প্রতিষ্ঠা করেন? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) ইলতুৎমিশ্র (খ) কুতুব উদ্দিন আইবেগ (গ) সুলতান মাহমুদ (ঘ) আরাম শাহ

উত্তরঃ (ক) ইলতুৎমিশ্র

১১) দিল্লির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত প্রথম মুসলিম নারী কে? (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) সম্রাজ্ঞী নূরজাহান (খ) সুলতানা রাজিয়া (গ) মমতাজ (ঘ) যোধা বাঈ

উত্তরঃ (খ) সুলতানা রাজিয়া

১২) গিয়াসউদ্দিন বলবনের শাসনকাল কোনটি? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) ১২৬৬-৮৭ খ্রি (খ) ১২৬০-৮০ খ্রি (গ) ১২৬০-৮৮ খ্রি (ঘ) ১২৬৮-৮৮ খ্রি

উত্তরঃ (ক) ১২৬৬-৮৭ খ্রি.

১৩) রক্তপাত ও কঠোর নীতি কার শাসনের বৈশিষ্ট্য ছিল? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) সুলতান রাজিয়া (খ) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ (গ) গিয়াসউদ্দিন বলবন (ঘ) আলাউদ্দিন খলজি

উত্তরঃ (গ) গিয়াসউদ্দিন বলবন

১৪) কোন মুসলিম সেনাপতি সর্বপ্রথম দা্ক্ষিণাত্য জয় করেন? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) মালিক কাফুর (খ) বৈরাম খাঁন (গ) শায়েস্তা খাঁন (ঘ) মীর জুমলা

উত্তরঃ (ক) মালিক কাফুর

১৫) আলাউদ্দিন খলজির প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) উলুঘ খাঁ (খ) মালিক কাফুর (গ) নসরত খান (ঘ) জাফর খাঁন

উত্তরঃ (খ) মালিক কাফুর

১৬) মূল্য ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন-(রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) ইলতুৎমিশ (খ) বলবন (গ) আলাউদ্দিন খলজি (ঘ) মুহম্মদ বিন তুগলক

উত্তরঃ (গ) আলাউদ্দিন খলজি

১৭) ফ্রান্সের রাজা চর্তুদশ লুই এর ন্যায় কোন সুলতান ঘোষণা করেন -আমিই রাষ্ট্র? (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) গিয়াসউদ্দিন বলবন (খ) জালালউদ্দিন খলজি (গ) বিন তুগলকা (ঘ) আলাউদ্দিন খলজি

উত্তরঃ (ঘ) আলাউদ্দিন খলজি

১৮) সোনা ও রুপার মুদ্রার পরিবর্তে প্রতীক তামার মুদ্রা প্রচলন করেন-(রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) আলাউদ্দিন খলজি (খ) মাহমুদ শাহ (গ) মুহম্মদ বিন তুগলক (ঘ) ইব্রাহীম লোগী

উত্তরঃ (গ) মুহম্মদ বিন তুগলক

১৯) কোন সুলতান ভারতের কৃষির উন্নতির জন্য আমির কোহী নামে কৃষি বিভাগ তৈরি করেন? (কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) মুহম্মদ বিন তুগলক (খ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ (গ) শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ (ঘ) ইলিয়াস শাহ

উত্তরঃ (ক) মুহম্মদ বিন তুগলক

২০) তৈমুর লঙের পিতার নাম? (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়)

(ক) তুরাঘাই (খ) চাগতাই (গ) আবাগা (ঘ) কাজঘান

উত্তরঃ (ক) তুরাঘাই

প্রাচীন বাংলার ইতিহাস জানতে ক্লিক করুন-

১। মৌর্য ও গুপ্ত সাম্রাজ্য। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ১

২। পাল সাম্রাজ্য। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ২

৩। সেন সাম্রাজ্য। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস ৩

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar
error: Content is protected !!