Hit enter after type your search item

A Complete Guide for BD Job Preparation

উয়ারী বটেশ্বর।মহাস্থানগড়।ময়নামতি।পাহাড়পুর।বাংলাদেশের প্রত্নস্থল 1st Part Best Note for BD JOB

/
/
902 Views

আলোচ্য বিষয় সমূহ- বাংলাদেশের প্রত্নস্থল উয়ারী বটেশ্বর,মহাস্থানগড়, ময়নামতি এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার।

উয়ারী বটেশ্বর

উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীনতম প্রত্নতাত্বিক স্থান যেখানে বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রাম দুইটি নরসিংদীর জেলার বেলাব উপজেলায় অবস্থিত। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী বটেশ্বর ছিল প্রাচীন গঙ্গাঋদ্ধি রাজ্যের অংশ প্রাচীনতম দূর্গ নগরী। এই প্রাচীনতম দূর্গ নগরীটি গড়ে উঠেছিল প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে বা খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ থেকে ৫০০ অব্দে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্নতাত্বিকদের অনেকেই উয়ারি বটেশ্বরকে টলেমির ‘সৌনাগড়া’ বলে উল্লেখ করে থাকেন।

উয়ারী বটেশ্বর

১৯৩০ সালের দিকে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ হানিফ পাঠান প্রথম উয়ারি বটেশ্বরকে সুধী সমাজের নজরে আনেন। ২০০০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ব বিভাগের উদ্যোগে শুরু হয় এর প্রথম খনন কাজ যার নেতৃত্বে ছিলেন বিভাগের প্রধান সুফী মোস্তাফিজুর রহমান। এখানে প্রাপ্ত নিদর্শন গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ-নগর, রাস্তা, পার্শ্ব রাস্তা, পোড়ামাটির ফলক, কাঁচের পুতি,মূল্যবান পাথরসহ উপমহাদেশের প্রাচীনতম ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা। ২০১০ সালে এখানে আবিস্কৃত হয়েছে ১৪০০ বছরের প্রাচীন ইট নির্মিত বৌদ্ধ পদ্মমন্দির।

বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিস্কৃত হয়েছে উয়ারী ও বটেশ্বর এ।

মহাস্থানগড়

মহাস্থানগড় বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। এটি বগুড়া শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের পুরাতন নাম পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর যা ছিল বাংলার প্রাচীনতম জনপদ পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী এবং পুণ্ড্রদের আবাসস্থল। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে এই নগর গড়ে উঠেছিল। এটি প্রাচীনকালে কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন রাজবংশের রাজাদের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল।

১৮০৮ সালে ফ্রান্সিস বুকানন হ্যামিল্টন সর্বপ্রথম এ স্থানটি আবিস্কার করেন। ১৮৭৯ সালে বৃটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহাম স্থানটিকে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের ধ্বংসাবশেষ ও রাজধানী হিসাবে সনাক্ত করেন।

২০১৬ সালে মহাস্থানগড়কে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

মহাস্থানগড়

মহাস্থানগড়ের প্রথাগত প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ ১৯২৮-২৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম শুরু করা হয়। ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে সন্ধান মেলে ব্রাহ্মী লিপির, যা বাংলার প্রাচীনতম শিলালিপি এবং এই শিলালিপিটি মৌর্যযুগের। এখানে রয়েছে সম্রাট অশোক নির্মিত বৌদ্ধ স্তম্ভ যা বেহুলার বাসর ঘর নামে পরিচিত। মাহাস্থানগড়ের দর্শনীয় স্থানসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- শাহ সুলতান বলখীর মাজার, পরশুরামের প্রাসাদ, বৈরাগীর ভিটা, খোদার পাথর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, লক্ষ্ণীন্দরের মেধ, কালীদহ সাগর, শীলাদেবীর ঘাট, পদ্মাদেবীর বাসভবন ইত্যাদি।

শাহ সুলাতান বলখী (র:) ১৪শ শতাব্দির একজন ইসলাম ধর্ম প্রচারক ছিলেন।কথিত আছে মাছ আকৃতির নৌকাতে করে তিনি তার শীষ্যদের নিয়ে বরেন্দ্রভূমিতে আসেন এবং ধর্ম প্রচার করেন।

ময়নামতি

ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি। বর্তমান ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংশস্তুপ দেখা যায় তা প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ ও বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ। এ স্থানের নামকরণ করা হয় রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী রানী ময়নামতি নামানুসারে।

ময়নামতি প্রত্নস্থল, লালমাই অঞ্চলের আবিষ্কৃত প্রত্নস্থল সমূহের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন।ময়নামতি ছিল প্রাচীন বঙ্গ সমতটের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র। 

কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান। এ বৌদ্ধ বিহারটির অবস্থান কোটবাড়িতে বার্ডের কাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায়। ধারণা করা হয় দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব খ্রিস্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

ময়নামতি (শালবন বিহার)

খ্রিস্টিয় ষষ্ঠ থেকে ১২’শ পর্যন্ত এই পুরো অঞ্চল ছিল বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। এই বৌদ্ধবিহারটি ছিল আবাসিক শিক্ষায়তন এবং এর আসল নাম ছিল ভবদেব বিহার। সারা ভারতের বৌদ্ধ সংস্কৃতির সর্বশেষ শিখা এখানেই জ্বলেছিল। এখানকার পণ্ডিতদের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছিল চীন পর্যন্ত তাই সপ্তম শতাব্দীতে সুদূর চীন থেকে বিখ্যাত পর্যটক হিউয়েন সাং এই কুমিল্লার লালমাইয়ের কোনো এক বৌদ্ধবিহারে এসেছিলেন, ।

এখানকার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো হল- লালমাই পাহাড়, কুটিলা মুড়া, ইটখোলা মুড়া, রপবান মুড়া, চারপত্র মুড়া ইত্যাদি। ময়নামতীর মনুমেন্টগুলির মধ্যে আনন্দবিহার সর্ববৃহৎ। এটি প্রত্নতাত্ত্বিক সম্ভারে সমৃদ্ধ  কোটবাড়ির কেন্দ্রে অবস্থিত।

প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহনকারী আটটি তাম্রলিপি, চারশরও অধিক স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে। 

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি বা ঐতিহাসিক নিদর্শন, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ব্রিটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের কবরস্থান। বাংলাদেশে মোট দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।

পাহাড়পুর

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত এই প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের বৃহত্তর বিহার। ইউনেস্কোর মতে পাহাড়পুর বিহার বা সোমপুর বৌদ্ধ বিহার ভারতীয় উপমহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার এবং আয়তনে এর সাথে শুধুমাত্র ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার

বুকানন হ্যামিল্টনের জরিপ অনুযায়ী, ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন। সত্যপীরের ভিটা সোমপুর বিহারের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। ইউনেস্কো ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের স্বীকৃতি প্রদান করে।

সোমপুর বিহার ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্ম শিক্ষাদান কেন্দ্র ছিল। শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, বরং চীন, তিব্বত, মায়ানমার, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন। খ্রিস্টীয় দশম শতকে সোমপুর বিহারের আচার্য ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর।

বিসিএস পরীক্ষায় আসা প্রশ্নসমূহ

১. প্রচীন ‘পুন্ড্রনগর’কোথায় অবস্থিত? (২৫তম বিসিএস/১৩তম বিসিএস)

ক. ময়নামতি খ. বিক্রমপুর গ. মহাস্থানগড় ঘ. পাহাড়পুর

উত্তরঃ গ

২. মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল, তখন তার নাম ছিল- (১২তম বিসিএস)

ক. মহাস্থন খ. কর্ণসুবর্ণ গ. পুন্ড্রনগর ঘ. রামাবতী

উত্তরঃ গ

৩. বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়? (১২তম বিসিএস/১০তম বিসিএস)

ক. মহাস্থানগড়ে খ. শাহজাদপুরে গ. নেত্রকোনায় ঘ. রামপালে

উত্তরঃ ক

৪. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল? (১০তম বিসিএস)

ক. সোমপুর বিহার খ. ধর্মপাল বিহার গ. জগদ্দল বিহার ঘ.শ্রী বিহার

উত্তরঃ ক

৫. পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা কে? (বাতিলকৃত ২৪ তম বিসিএস)

ক. রামপাল খ. ধর্মপাল গ. চন্দ্রগুপ্ত ঘ. আদিশূর

উত্তরঃ খ

পিএসসি এর বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্নসমূহ

১. ওয়ারী-বটেশ্বরের সভ্যতা কত প্রাচীন? (সাধারণ পুলের আওতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহারী প্রোগ্রামার, উপসহকারী প্রকৌশলী,)

ক. ২৫০০ বছর    খ. ১০০০ বছর   গ. ৩০০০ বছর   ঘ. ১৫০০ বছর

উত্তরঃ ক

২. উয়ারি-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত? (গনপূর্ত অধিদপ্তরের হিসাব সহকারী)

ক. দিনাজপুর খ. ঢাকা গ. নরসিংদী   ঘ. কুমিল্লা

উত্তরঃ গ

৩. মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজধানী কোথায় ছিল? (থানা শিক্ষা অফিসার)

ক. গৌড়ে খ. ময়নামতিতে গ. মহাস্থানগড়ে ঘ. সোনারগাঁওয়ে

উত্তরঃ গ

৪. বাংলাদেশের কোথায় মৌর্যযুগের শিলালিপি পাওয়া গেছে? (সাব-রেজিস্ট্রার)

ক. পাহাড়পুর খ. ময়নামতি গ. মাহস্থানগড় ঘ. রাজশাহী

উত্তরঃ গ

৫. ময়নামতির ধ্বংসস্তুপ প্রাপ্ত নিদর্শনসমূহ কোন শতাব্দীর? (মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যলয়ে সহারী পরিসংখ্যান কর্মকর্তা)

ক. নবম শতাব্দীর খ. সপ্তম শতাব্দীর গ. অষ্টম শতাব্দীর ঘ. দশম শতাব্দীর

উত্তরঃ খ

৬. প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত স্থান? (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ কার্যালয়ে সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা)

ক. ময়নামতি খ. কালুরঘাট গ. কক্সবাজার ঘ. সুন্দরবন

উত্তরঃ

৭. প্রাচীন নিদর্শন সমৃদ্ধ পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত? (সহকারী উপজেলা/থান শিক্ষা অফিসার.)

ক. রাশাহী খ. বগুড়া গ.নওগাঁ ঘ. কুমিল্লা

উত্তরঃ গ

৮. সোমপুর বিহার কোন জেলায় অবস্থিত? (মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে উপজেলা কর্মকর্তা)

ক. রাজশাহী খ. রংপুর গ. কুমিল্লা ঘ. নওগাঁ

উত্তরঃ ঘ

ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১. কোনটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয়? (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. ময়নামতি খ. পাহাড়পুর গ. মহাস্থানগর ঘ. সুন্দরবন

উত্তরঃ ঘ

২. বাংলাদেশের কোথায় সর্বশেষ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিস্কৃত হয়েছে? (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. বান্দরবান খ. কলাকোপা গ. মহাস্থাগড় ঘ. উয়ারী বটেশ্বর

উত্তরঃ ঘ

৩. ওয়ারি-বটেশ্বরের প্রত্নাবশেষ কোন সময়কার? (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. ৩০০ খ্রিঃ পূঃ খ. ৪০০ খ্রিঃপূঃ গ. ৫০০ খ্রিঃ পূঃ ঘ. ৬০০ খ্রিঃ পূঃ

উত্তরঃ

৪. প্রচীন বাংলায় পুন্ড্র নামটি ছিল একটি? (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. জনপদের খ. প্রদেশের গ. গ্রামের ঘ. নগরের

উত্তরঃ ক

৫. বাংলাদেশের প্রাচীনতম বন্দরনগরী-(চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. মহাস্থানগড় খ. পুণ্ড্রবর্ধন গ. ময়নামতি ঘ. ওয়ারী বটেশ্বর

উত্তরঃ

৬. মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত? (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. পদ্মা খ.গড়াই গ.মহানন্দা ঘ. করতোয়া

উত্তরঃ ঘ

৭. মহাস্থনগড় কোন জেলায় অবস্থিত-( জগন্নাথ বিশ্ব)

ক. নওগাঁ খ. জয়পুরহাঠ গ. বগুড়া ঘ. নাটোর

উত্তরঃ

৮. বৈরাগীর ভিটা অবস্থিত? (ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. বগুড়া খ. ময়নামতি গ. সোনারগাঁও ঘ. বান্দরবানে

উত্তরঃ ক

৯. মহাস্থানগড় এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধণ নগরী যে একই কে এই শনাক্ত করণ করেন? (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. কানিংহাম খ. মার্শাল গ. রাখালদাস ঘ. রেনেল

উত্তরঃ ক

১০. ময়নামতি কোন সভ্যতার নিদর্শন? (জগন্নাথ বিশ্ব/ ঢাকা বিশ্ব)

ক. বৌদ্ধ সভ্যতার খ. হিন্দু সভ্যতার গ.খ্রিস্টীয় সভ্যতার ঘ. মুসলিম সভ্যতার

উত্তরঃ ক

১১. পাহাড়পুর খনন কার্যের ফলে প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষ থেকে কাদের সাংস্কৃতি নিদর্শন পাওয়া গেছে-(চট্রগ্রাম বিশ্ব, ঢাকা বিশ্ব)

ক. হিন্দু খ. মসুলিম গ. বৌদ্ধ ঘ. খ্রিস্টান

উত্তরঃ গ

১২. সত্যপীরের ভিটা’ কোথায় অবস্থিত? (রাজশাহী বিশ্ব)

ক. সোমপুর বিহার, নওগাঁ খ. পুঠিয়া, রাজশাহী, গ. ময়নামতি,কুমিল্লা ঘ. আনন্দ বিহার, কুমিল্লা

উত্তরঃ ক

১৩. শালবন বিহার’কোথায়? (কুমিল্লা বিশ্ব)

ক. কুমিল্লা  খ. বগুড়া গ. সিলেট ঘ. মধুপুর

উত্তরঃ ক

১৪. শালবন বিহার’ কোন রাজবংশের কীর্তি? (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়)

ক. পাল খ. দেব গ. চন্দ্র ঘ. রাঢ়

উত্তরঃ খ

১৫. ‘ভাসুবিহার’ কোন জেলায় অবস্থিত? (রাজশাহী বিশ্ব)

ক.নওগাঁ খ. বগুড়া গ. জয়পুরহাট ঘ. দিনজাপুর

উত্তরঃ খ

১৬. ‘আনন্দ বিহার’ কোথায় অবস্থিত? (ঢাকা বিশ্ব)

ক. ময়নামতি খ. পাহাড়পুর গ. মহাস্থানগড় ঘ. সোনারগাঁও

উত্তরঃ ক

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১ শীলাদেবীর ঘাট কোথায় অবস্থিত? (মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক)

ক. বগুড়া খ. কুমিল্লা গ. শিলিগুড়ি ঘ. নওগাঁ

উত্তরঃ ক

২সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা কে?(৮ম বেসরকারি প্রভাষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন পরীক্ষা)

ক. হেমন্ত সেন খ. ধর্মপাল গ. গোপাল ঘ. আদিশূর

উত্তরঃ খ

৩ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর প্রত্নস্থলটি কে আবিস্কার করেন? (মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক)

ক. এডমাইন্ড এস ফিলিপস খ.এনড্রো জেড ফায়ার গ.জন সি মেথার গোমেজ ঘ. বুকানন হ্যামিল্টন

উত্তরঃ ঘ

৪. বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান কোনটি? (১১তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন পরীক্ষা.সহকারী শিক্ষক নিয়োগ)

ক. পাহাড়পুর খ. মহাস্থানগড় গ. সোনারগাঁ ঘ. ময়নামতি

উত্তরঃ খ

৫.বাংলাদেশের প্রত্নস্থল ওয়ারি-বটেশ্বর যে জেলায় অবসস্থিত- (১১তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন পরীক্ষা.সহকারী শিক্ষক নিয়োগ)

ক. ঢাকা খ. গাজীপুর গ. নরসিংদী ঘ. নারায়ণগঞ্জ

উত্তরঃ গ

৬. বাংলাদেশের কোথায় মৌর্য শিলালিপি পাওয়া গেছে? (রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়)

ক. কুমিল্লার ময়নামতি খ. রাজশাহীর পাহাড়পুর গ. বগুড়ার মহাস্থনগর ঘ. নারায়গঞ্জের সোনারগাঁও

উত্তরঃ গ

৭. প্রচীন পুন্ড্রনগরের বর্তমান নাম কি? (প্রাথমিক পরীক্ষা)

ক. ময়নামতি খ. মহাস্থানগড় গ. শায়েস্তাবাদ ঘ. সোনারগাঁও

উত্তরঃ খ

FAQ Section

উয়ারী বটেশ্বর

উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীনতম প্রত্নতাত্বিক স্থান যেখানে বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

উয়ারী বটেশ্বর কোথায় অবস্থিত?

উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রাম দুইটি নরসিংদীর জেলার বেলাব উপজেলায় অবস্থিত।

মহাস্থানগড়

মহাস্থানগড় বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। এটি বগুড়া শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের পুরাতন নাম পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর যা ছিল বাংলার প্রাচীনতম জনপদ পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী এবং পুণ্ড্রদের আবাসস্থল। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীতে এই নগর গড়ে উঠেছিল। এটি প্রাচীনকালে কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন রাজবংশের রাজাদের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল।

ময়নামতি

ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি। বর্তমান ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংশস্তুপ দেখা যায় তা প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ ও বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ। এ স্থানের নামকরণ করা হয় রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী রানী ময়নামতি নামানুসারে।
কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান। এ বৌদ্ধ বিহারটির অবস্থান কোটবাড়িতে বার্ডের কাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায়। ধারণা করা হয় দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব খ্রিস্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

পাহাড়পুর

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত এই প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের বৃহত্তর বিহার। ইউনেস্কোর মতে পাহাড়পুর বিহার বা সোমপুর বৌদ্ধ বিহার ভারতীয় উপমহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৌদ্ধ বিহার এবং আয়তনে এর সাথে শুধুমাত্র ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar
error: Content is protected !!