Hit enter after type your search item

A Complete Guide for BD Job Preparation

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন । চাকুরীর প্রস্তুতির Best Note till’2023

/
/
969 Views

আলোচ্য বিষয় সমূহ- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ, মধ্যযুগের যুগবিভাগ, বাংলাসাহিত্যের অন্ধকার যুগ, বাংলা সাহিত্যের বিকাশে সুলতান ও মোঘল সম্রাটদের অবদান, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এর আবিস্কার/উদ্ধার ও প্রকাশনা, এর উপজীব্য বিষয় ও প্রধান চরিত্র এবং বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ও শ্রীকৃষ্ণকীর্তন থেকে বিসিএস পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহের আলোচনা।

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত । বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সবটুকুই মুসলিম শাসনামলের অন্তর্গত, কারণ ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে প্রথম মুসলমান শাসনের সূত্রপাত হয় এবং ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের বিজয়ে মুসলমান শাসনের অবসান হয়।

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যদেবের অবদান অপরিসীম, তাই শ্রীচৈতন্যদেবকে কেন্দ্র করে মধ্যযুগকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১) প্রাকচৈতন্য যুগ (১৩৫১-১৫০০ খ্রি )

২) চৈতন্য যুগ( ১৫০১-১৬০০ খ্রি)

৩) চৈতন্য পরবতী যুগ (১৬০১-১৮০০ খ্রি)

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ মুসলমান শাসনামলের উপর ভিত্তিকরে আবার তিন ভাগে বিভক্ত-

ক) তুর্কি শাসনামল (১২০১-১৩৫০ খ্রি.)

খ) সুলতানি শাসনামল (১৩৫১-১৫৭৫ খ্রি.)           

গ) মোগল শাসনামল (১৫৭৬-১৭৫৭ খ্রি.)             

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

ক) তুর্কি শাসনামল (১২০১-১৩৫০ খ্রি.)

বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের শুরুতেই ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাংলা সাহিত্যের ‘অন্ধকার যুগ’বলা হয়েছে কারণ সেই সময় বাংলা সাহিত্যের কোন নিদর্শন পাওয়া যায়নি। তুর্কি শাসকদের এ সময়কে প্রধানত ভাষা গঠনের যুগ ছিল বলে মনে করা হয়। অন্ধকার যুগে বাংলা সাহিত্য সৃষ্টির নিদর্শন পাওয়া না গেলেও সংস্কৃত ভাষায় রচিত উল্লেখযোগ্য কিছু সাহিত্য গ্রন্থের নিদর্শন পাওয়া যায়। যেমন-

রামাই পণ্ডিত রচিত “শূন্যপুরাণ” এবং হলায়ুধ মিশ্র রচিত “সেক শুভোদয়া”।

শূন্যপুরাণ: রামাই পণ্ডিত রচিত ধর্মপূজার শাস্ত্রগ্রন্থ। মোট অধ্যায় ৫১। গদ্য-পদ্য মিশ্রিত চম্পূকাব্য। ‘নিরঞ্জনের রুষ্মা’এই কাব্যের অংশ বিশেষ।

সেক শুভোদয়া রাজা লক্ষ্ণণ সেনের সভাকবি হলায়ুধ মিশ্র রচিত। সংস্কৃত গদ্যপদ্যে লেখা চম্পূকাব্য।

“অন্ধকার যুগ” পরবর্তি বাংলা সাহিত্য মূলত দুইটি ভাগে বিভক্ত।

ক) মৌলিক রচনা এবং

খ) অনুবাদ

খ) সুলতানি শাসনামল (১৩৫১-১৫৭৫ খ্রি.)

পাঠান সুলতানগণ মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এই সময়ে গৌড়ের শাহী দরবার বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সাংস্কৃতিক স্নায়ুকেন্দ্র রুপে গড়ে ওঠে। গৌড়কে কেন্দ্র করে এই সময়ে বাংলা সাহিত্যের বিকাশের গুরুত্ব বিবেচনা করে ড. দীনেমচন্দ্র সেন এই আমলকে ‘গৌড়ীয় যুগ’ বলে অভিহিত করেন। এসময় গৌড়ের সুলতানদের পৃষ্ঠপোষকতায় বেশকিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ রচিত হয়-

সুলতান গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর ইউসুফ- জোলেখা কাব্য রচনা করেন।

সুলতান জালাল উদ্দিন মুহম্মদ শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস রামায়ণ (অনুবাদ) রচনা করেন।

সুলতান রুকন উদ্দিন বারবক শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায় যশোরাজ খান শ্রীকৃষ্ণবিজয় রচনা করেন।

সুলতান শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায় জৈনুদ্দিন এর পৃষ্ঠপোষকতায় রসুলবিজয় রচনা করেন।

সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায়

বিপ্রদাস পিপিলই মনসাবিজয় রচনা করেন

বিজয়গুপ্ত মনসামঙ্গল রচনা করেন

মালাধর বসু শ্রীকৃষ্ণবিজয় রচনা করেন

সুলতান নাসির উদ্দিন নসরত শাহ এর পৃষ্ঠপোষকতায়

বিদ্যাপতি বৈষ্ণবপদ রচনা করেন।

কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারত (অনুবাদ) রচনা করেন। (যা পরাগলী মহাভারত নামে পরিচিত)

গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের সাথে পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের পত্রালাপ হয়েছিল। তিনি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ করেছিলেন।

গ) মোগল শাসনামল (১৫৭৬-১৭৫৭ খ্রি.)

এসময় আরাকান রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় মুসলমান কবিগণ প্রণয়কাব্য রচনা করে বাংলা সাহিত্য স্বতন্ত্র্য ধারার প্রবর্তন করেন। সমকালীন বিভিন্ন রাজসভার গুরুত্বপূর্ণ কবি

সম্রাট আকবরের রাজসভার সভাকবি আবুল ফজল (আকবরের সভাকবি ও প্রধানমন্ত্রী), যার ঐতিহাসিক গ্রন্থ “আইন-ই-আকবরি”

আরকান রাজসভার সভাকবি দৌলতকাজী, আলাওল, কোরেশী মাগন ঠাকুর,             

কৃষ্ণনগর রাজসভার সভাকবি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর      

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

“শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সর্বজন স্কীকৃত ও খাঁটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। কাব্য পুথিঁটির রচিয়তা বড়ু চণ্ডীদাস (এটি তাঁর ছদ্মনাম, তাঁর প্রকৃত নাম অনন্ত বড়ুয়া)। বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের (চতুর্দশ শতাদ্বীর) আদি বা প্রথম কবি। কবি চতুর্দশ শতাব্দীর শেষ দিকে কাব্যটি রচনা করেন। কাব্যটি বাংলা ভাষায় রচিত কোনো লেখকের প্রথম একক গ্রন্থ। পুথিঁতে প্রাপ্ত একটি চিরকুট অনুসারে এই কাব্যের প্রকৃত নাম ‘শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ব্ব’।

আবিস্কার/উদ্ধার ও প্রকাশনা

১৯০৯ সালে ‘বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ’ (বিদ্বদ্বল্লভ-এটা উপাধি) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিলা গ্রামের এক গৃহস্থ (দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়) বাড়ির গোয়ালঘর হতে পুঁথিটি উদ্ধার করেন। ১৯৬১ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।

উপজীব্য বিষয় ও প্রধান চরিত্র

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল উপজীব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি । ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রধান চরিত্র রাধা (জীবাত্না বা প্রাণিকূল), কৃষ্ণ (পারমাত্না বা ঈশ্বর) ও বড়াই (প্রেমের দূর্তী)।

কাব্যটিতে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। যথা-জম্মখন্ড, তাম্বূল খণ্ড, যমুনা খণ্ড, হারখণ্ড, বানখণ্ড, বংশীখণ্ড ও বিরহখণ্ড (রাধাবিরহ)।

প্রধানত শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীরাধা ও বড়ায়ির পরস্পর উত্তর-প্রত্যুত্তরের মধ্যদিয়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের বিভিন্ন খণ্ডে এক-একটি কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পাঁচালী করে না গেয়ে নাটগীত হিসেবে নৃত্য ও অভিনয়ের সঙ্গে গাওয়া যেত। পুঁথিটিকে ‘ঝুমুর’ জাতীয় লৌকিক নাটগীতের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে অভিহিত করা যায়।

মধুগের যাত্রার প্রধানতম উপজীব্য ছিল কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত বিষয়বস্তু। এজন্যই বাংলা সাহিত্যে ‘কানু’ বলতে কৃষ্ণকে বোঝানো হয়েছে।

বিসিএস পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১. কোন সময়কে বাংলা সাহিত্যের ‘অন্ধকার যুগ’ বলা হয়? (৩৪তম বিসিএস)

ক. ১২০১-১৩৫০ খ্রি.

খ. ৬০০-৯৫০ খ্রি.

গ.১৩৫১-১৫০০ খ্রি.

ঘ. ৬০০-৭৫০ খ্রি.

উত্তরঃ ক. ১২০১-১৩৫০ খ্রি.

২. ‘শূন্যপূরাণ’কাব্য কার রচনা? (৩২তম বিসিএস)

ক. লুইপা

খ. দৌলত উজির বাহরাম খান

গ.কাহ্নপা

ঘ.রামাই পণ্ডিত

উত্তরঃ ঘ. রামাই পণ্ডিত

৩. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের রচয়িতা- (২৯তম বিসিএস)

ক. চণ্ডীদাস

খ. বডু চণ্ডীদাস

গ.দ্বিজ চণ্ডীদাস

ঘ.দীন চণ্ডীদাস

উত্তরঃ খ. বডু চণ্ডীদাস

৪. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যখানি আবিস্কৃত হয় কোথায়? (৪৪তম বিসিএস)

ক. রাজপ্রসাদে

খ. গোয়ালঘরে

গ. কুঁড়েঘরে

ঘ.গ্রন্থাগারে

উত্তরঃ খ. গোয়ালঘরে

৫. গঠনরীতিতে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য মূলত- (৩৮তম বিসিএস)

ক. পদাবলি

খ. ধামালি

গ. প্রেমগীতি

ঘ. নাটগীতি

উত্তরঃ ঘ. নাটগীতি

. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের ‘বড়াই’ কী ধরনের চরিত্র? (২৮তম বিসিএস)

ক. শ্রী রাধার ননদিনী

খ. রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী

গ. শ্রী রাধার শাশুড়ি

ঘ. জেনৈক গোপবালা

উত্তরঃ খ. রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতী

পিএসসি’র বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১) বিপ্রদাস পিপিলাই রচিত কাব্যের নাম কি? (আনসার ভিডিপি)

ক. মনসামঙ্গল খ. মনসাবিজয় গ. চাঁদ সদাগরের কাহিনী ঘ. মনসা প্রশস্তি

উত্তরঃ খ. মনসাবিজয়

২) কোন শাসকদের সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়? (কৃষি কর্মকর্তা)

ক. পাল খ. সেন গ. গুপ্ত ঘ. তুর্কি

উত্তরঃ ঘ. তুর্কি

৩) ত্রয়োদশ শতকের সাহিত্যকর্ম কোনটি? (জীবম বীমা কর্পোরেশনের অফিস সহকারী)

ক. মনসামঙ্গল খ. শূন্যপুরাণ গ. পদ্মাপুরান ঘ. চন্দ্রাবতী

উত্তরঃ খ. শূন্যপুরাণ

৪) ‘শূন্যপুরাণ’হলো- (সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ সহকারী ব্যবস্থাপক)

ক. ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ খ. রাধাকৃষ্ণের প্রেমের কাব্য গ. রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ঘ. তৈতন্যজীবনীমূলক গ্রন্থ

উত্তরঃ ক. ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ

৫) ‘শূন্যপুরাণ’ গ্রন্থটি মোট কয়টি অধ্যায়ে বিভক্ত? (জীবন বীমা কর্পোরেশনের অফিস সহকারী)

ক. ৪০টি খ. ৪৫টি গ. ৫০টি ঘ. ৫১টি

উত্তরঃ ঘ. ৫১টি

৬) আঁধার যুগের রচনা বলা হয় কোনটিকে? (বাংলাদেশ বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা অফিসার)

ক. প্রাকৃতপৈঙ্গল খ. চর্যাপদ গ. মনসামঙ্গল ঘ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

উত্তরঃ ক. প্রাকৃতপৈঙ্গল

৭) মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন- (যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক)

ক. তুর্কি শাসকবর্গ খ. মুঘল সম্রাটগণ গ. পাঠান সুলতানগণ ঘ. সংস্কৃত পণ্ডিতগণ

উত্তরঃ গ.পাঠান সুলতানগণ

৮) বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত শাসক-(প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা)

ক. আলিবর্দি খাঁ খ. আলাউদ্দিন হুসাইন শাহ গ. ইসলাম খাঁ ঘ. মুর্শিদ কুলি খাঁ

উত্তরঃ খ. আলাউদ্দিন হুসাইন শাহ

৯) ‘শূন্যপুরাণ এবং ডাক খনার বচন’ এই গ্রন্থ দু’টির রচয়িতা কে? (এক্সিম ব্যাংক লি. অফিসার)

ক. রামাই পণ্ডিত খ. ময়ূর ভট্র গ. হলায়ূধ মিশ্র ঘ.ভারতচন্দ্র

উত্তরঃ ক. রামাই পণ্ডিত

১০) ‘বড়াই’ কোন কাব্যের চরিত্র? (রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী)

ক. চণ্ডীমঙ্গল খ. অন্নদামঙ্গল গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ঘ. মনসামঙ্গল

উত্তরঃ গ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

১১) মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন কোনটি? (বস্ত্র পাট মন্ত্রণালয়ের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর)

ক. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন খ. চর্যাপদ গ. শূন্যপুরান ঘ. ডাকার্ণব

উত্তরঃ ক. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

১২) সর্বজন স্বীকৃত খাঁটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি? (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সাইফার অফিসার)

ক. চর্যাপদ খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ. ইউসুফ জোলেখা ঘ. পদ্মাবতী

উত্তরঃ খ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

১৩) মধ্যযুগের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি? (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালযের সহকারী)

ক. শূন্যপুরাণ খ.ডাকার্ণব গ.গীতগোবিন্দ ঘ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

উত্তরঃ ঘ. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

১৪) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কোন যুগের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন? (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কল্যাণ পরিদর্শন)

ক. প্রাচীন যুগ খ. মধ্যযুগ গ.আধুনিক যুগ ঘ.প্রগৈতিহাসিক যুগ

উত্তরঃ খ. মধ্যযুগ

১৫) মধ্যযুগের প্রথম কবি হচ্ছে- (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সাইফার কর্মকর্তা)

ক. কাহ্নপা খ. বিদ্যাপতি গ. বড়ু চণ্ডীদাস ঘ. মালাধর বসু

উত্তরঃ গ. বড়ু চণ্ডীদাস

১৬) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ আবিস্কার করেন- (জনস্বাস্ব্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী)

ক. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী খ. রামমোহন রায় গ. বসন্তরঞ্জন রায় ঘ. প্রথম চৌধুরী

উত্তরঃ গ. বসন্তরঞ্জন রায়

১৭) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের সম্পাদক- (বাংলাদেশ বেসারকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা অফিসার)

ক. বসন্তরঞ্জন খ. বড়ু চণ্ডীদাস গ. ত্রৈলোক্য আচার্য ঘ. ব্রজসুন্দর সান্ন্যাস

উত্তরঃ ক. বসন্তরঞ্জন

১৮) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি আবিস্কৃত হয়- (গণর্পূত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ড্রাফটসম্যান)

ক. ১৯০৯ খ. ১৮০৯ গ. ১৯০৭ ঘ. ১৯৯০

উত্তরঃ ক. ১৯০৯

১৯) ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের খণ্ড সংখ্যা- (পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক)

ক. ১৪ খ.১৫ গ.১৩ ঘ. ১২

উত্তরঃ গ. ১৩

ভার্সিটির ভর্তি পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন সমূহ

১) কোনটি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’কাব্যের খণ্ড নয়? (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ব)

ক. নৌকা খণ্ড খ. হার খণ্ড গ. ছত্র খণ্ড ঘ. প্রণয় খণ্ড

উত্তরঃ ঘ. প্রণয় খণ্ড

২) “কানু ছাড়া গীত নাই” কোন যুগে সত্য ছিল? (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ব)

ক. প্রচীন যুগে খ. মধ্যযুগে গ. অন্ধকার যুগে ঘ. আধুনিক যুগে

উত্তরঃ খ. মধ্যযুগে

৩) আলাউদ্দীন হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যে কী কারণে খ্যাতিমান? (রাজশাহী বিশ্ব)

ক. শাসনকর্তা হিসেবে খ. বাংলা ভাষার স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য

গ. অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য ঘ. সালতানাৎ প্রতিষ্ঠার জন্য

উত্তরঃ গ. অনুবাদের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য

৪) ‘হাত জোড় করিঞা মাঙ্গো দান, বারেক মাহাত্ন রাখ সম্মান’কোন গ্রন্থ থেকে গৃহীত? (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ব)

ক. গোরক্ষ বিজয় খ. চর্যাপদ গ. শূন্যপুরান ঘ. সেক শুভোদয়া

উত্তরঃ ঘ. সেক শুভোদয়া

FAQ Section

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কোথা থেকে আবিষ্কৃত হয়?

১৯০৯ নালে ‘বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ’ (বিদ্বদ্বল্লভ-এটা উপাধি) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিলা গ্রামের এক গৃহস্থ (দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়) বাড়ির গোয়ালঘর হতে পুঁথিটি উদ্ধার করেন। ১৯৬১ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা কে?

“শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সর্বজন স্কীকৃত ও খাঁটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ। কাব্য পুথিঁটির রচিয়তা মধ্যযুগের (চতুর্দশ শতাদ্বীর) আদি বা প্রথম কবি বড়ু চণ্ডীদাস (এটি তাঁর ছদ্মনাম, তাঁর প্রকৃত নাম অনন্ত বড়ুয়া)।

বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ

বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের শুরুতেই ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাংলা সাহিত্যের ‘অন্ধকার যুগ’বলা হয়েছে কারণ সেই সময় বাংলা সাহিত্যের কোন নিদর্শন পাওয়া যায়নি। তুর্কি শাসকদের এ সময়কে প্রধানত ভাষা গঠনের যুগ ছিল বলে মনে করা হয়। অন্ধকার যুগে বাংলা সাহিত্য সৃষ্টির নিদর্শন পাওয়া না গেলেও সংস্কৃত ভাষায় রচিত উল্লেখযোগ্য কিছু সাহিত্য গ্রন্থের নিদর্শন পাওয়া যায়। যেমন-

রামাই পণ্ডিত রচিত “শূন্যপুরাণ” এবং হলায়ুধ মিশ্র রচিত “সেক শুভোদয়া”।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar
error: Content is protected !!